somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদের দানা-দানা পোষ্ট ....(উৎসর্গ - বিডি, রাগ ইমন আপি, বিলাইপু, গোয়েবলস, পিচ্চি অপ্সরী, চানাচুর ... )

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রথমেই সবাইকে ঈদ উল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।

আগেই কইসিলাম ঈদের এইসব কিছু আমার জন্য না... এখন আর ভাল্লাগে না... কিন্তু নাহ আমাকে ঈদের আনন্দ করতেই হবে আর সবার মত নতুন জামা পরে বাড়ী বাড়ী গিয়ে দাওয়াত খেতেই হবে নাইলে নাকি আমাকে আগামী সাত দিন কঠিন শাস্তি পেতে হবে, কি আর করা জানের দোস্তের কথা কি আর ফেলা যায় ?... তাই তো ঈদের নামাজ পড়ার পরে ব্লগার বন্ধু আর আপুদের বাড়িতে শুরু হলো আমার হান্টিং ফর খানা দানা পর্ব ...

এবারের হান্টিং ফর খানাদানা পর্বে প্রথমেই টার্গেট করলাম তাদেরকে যারা নিজের হাতে খাবার বানাবে বলেই আমার ধারনা ছিল , সে হিসেবে সামুর বন্ধু / আপি দেরকেই প্রাথমিক টার্গেট করা হলো ...


নামাজ শেষে প্রথমেই বিডি রে ফোন করে কইলাম আইতাছি, খাবার রেডি কর ...
সে আমারে শুরুতেই ঝাড়ি, কইলো >> ঈদ মোবারক কইসোস যে ঈদের খাবার খাইতে চাস ? ...
আমি কইলাম --- কালকে রাতে না কইলাম ? ...
সে কইলো >> ঐটা তো বাসী হয়া গেছে, টাটকা ঈদ মোবারক না দিলে খাওন নাই ...
আমি কইলাম --- আইচ্ছা, নে ঈদ মোবারক ... এইবার আসি ?
সে কইলো >> আমি মনে করায় দেয়ার পরে কইলি ক্যান ? এখন তো শাস্তি পাওয়া লাগবে , দুপুরের আগে তোরে খাওয়ামু না
আমি কইলাম --- বুঝছি খাবার তৈরি হয় নাকি
সে আবার ঝাড়ি দিলো >> আব্বেহ ! অফ যা (অতঃপর শব্দ করে লাইন কেটে গেল)


এবার ভাবলাম কৈ যাই, মনে পড়লো রাগ ইমন আপির কথা ... ও বলেছিল ঈদে ওর বাসায় যেতে ... তাই কথা নাই বার্তা নাই সোজা ওর বাসায় গিয়ে উঠেই ঘন্টা বাজালাম, ডিং ডং ... সেই রকম সাজুগুজু করে রাগ আপি রাগ ছাড়াই কইলো >> আরে অন্তু যে, কি খবর কি মনে করে ?
আমি কইলাম --- আজকে না ঈদ ? আজকে তোমার বাসায় আসতে কি মনে করে আসতে হয় জানো না ? ঈদ মোবারক, আগে সেলামী দেও পরে অন্য কথা ...
রাগ আপি কইলো >> তোমার সেলামী ঐ আক্কাসের দোকানে আছে , বইলা দিমুনে যাওয়ার পথে নিয়া যাইয়ো
আমি কইলাম -- কি কও ? সালাম করলাম আমি আর সেলামি দিবো ঐ আক্কাইস্যা ঘটনা কি ? জলদি বাইর করো কইলাম ...
রাগ আপি কইলো >> তোমারে তো ইশপিশাল সালামী দিমু , আসো আগে খাওয়া দাওয়া করো আর যাওনের টাইমে আক্কাইস্যার দোকান থেকে ডজন খানিক চানাচুরের প্যাকেট নিয়া যাইয়ো ...
এতক্ষনে তার বিশেষ সালামীর মাজেজা বুইঝা কইলাম --- কি রান্না করসো খাইতে দেও জলদি, সকাল থেকে পেটে দানাপানি পড়ে নাই ...
আপি কইলো >> আসো টেবিলে বসো ... শুরু কইরা দেও
টেবিলে খাবার লাগানোর দশা দেইখা কইলাম --- এই সব কি আনতাসো ?
আপি কইলো >> ক্যান তুমারে নানা ডাকি, তো নানা টাইপ জিনিস আনুম না ? এই যে দেখ নানার শরীরে যাতে সমস্যা না হয় আর সহযে হজম হয় সেই জন্য সব্জির স্যুপ, সাদা ভাত, মশলা ছাড়া রুই মাছের ঝোল যেখান থেকে মাছটা হজম করতে পারবা না দেইখা রাইখা দিসি, তেল লবন ছাড়া বানানো স্পেশাল মুরগীর মাংস, পাতলা ডাইল, পান-সুপারী আর ওরস্যালাইন ....
আমি কইলাম --- এইগুলান তুমি আমার জন্য বানাইসো ? ঈদের দিন এইসব খাওয়াইবা ?
আপি কইলো >> ঈদ হোক বা অন্যকিছু নানার শরীরের দিকে খেয়াল তো রাখতে হবে ... তাই না ?
আমি কইলাম --- তা নিজের জন্য ঐটা কি আনসো বাটিতে করে ?
রাগ আপি কইলো >> এইটা চানাচুর মাখা , আমারে সারাক্ষন চানাচুর মাখার লোভ দেখাও আজকে আমি তুমারে দেখামু ... নানা তুমি রেডি ?
আমি কইলাম --- এই কাহিনী? তাও আবার আমার লগে ?
আপি কইলো >> জ্বি নানা ....
আমি কইলাম --- তুমারে আসলে বাইন্দা পিটানীর কাম, কট্টুক লম্বা রশি দিয়ে জানো?
রাগ আপি আসকাইলো >> কত্ত বড় ?
আমি কইলাম --- এইখান থেকে ঐ যে তোমার সোফার তলায় পাকা কাঠাল দেখা যাচ্ছে না ?... ঐটা পর্যন্ত লম্বা ....
এর পরের কাহিনী পাঠক নিজ দায়িত্বে বুঝে নিক :|


ওখান থেকে বের হতেই ফোন এলো গোয়েবলসের , বললো -- কিরে অন্তু কৈ ? দাওয়াত দিলাম আসলানা কেন এখনো ?
আমি বললাম >> আজকের বিশেষ বিশেষ ম্যেনু কি ?
সে বললো --- সেদিনের গুলোর সাথে আর নতুন কি এ্যাড করবো বুঝতেছিনা ...
আমি কইলাম >> ওগুলোই তো এখনো হজম হয়নাই, কেমনে কি করি
গোবলা কইলো --- আমি সেই কবে থেকে তোমার মাথা রান্ধন যায় সেইটা চিন্তাইতেছি
কথাটা শোনা মাত্র কান গরম হয়ে ভো ভো করা শুরু করলো, সেই সাথে কোন বিশেষ কারনে আমার নেটওয়ার্ক এমনভাবে কেটে গেল যে ওর সাথে আর যোগাযোগ হল না...


ফোন কাটতে না কাটতেই পিচ্চি অপ্সরীর কথা মনে হলো, ভাবলাম সে তো আমারে দাওয়াত দিসিলো আর ম্যেনু হিসেবে দিসিলো মুরগীর কোরমা, খাসীর বিরীয়ানি, গরুর মাংসের কাবাব,গরুর মাংস ভুনা, তেতুলের চাটনী, স্যালাড, লবন(যদি লাগে) :P ... & ডেসার্ট হিসেবে.... জর্দা,পায়েস, ফ্রুট কাস্টার্ড .... সুতরাং ওর বাসাতেই যাওয়া টা বেটার ... ফোন দিলাম পিচ্চিরে ... দেখি ধরে না, কয়েকবার ট্রাই করার পরে ধরতেই বললাম >>> ঈদ মোবারক পিচ্চি ... কৈ তুমি আমি আসতেছি তোমার বাসায়
পিচ্চি কয় --- আমি তো খালার বাসায় বেড়াতে এসেছি কালকের আগে বাসায় যাবো না, তুমি পরশুদিন আসো ...
আমি কইলাম >>> তবে রে, দাওয়াত দিয়ে এমনে কেউ দাগা দেয় ?
সে কইলো --- আমি না ছোট মানুষ ? আমিই তো ভুল করবো তাই না ? এটা নতুন কি ? তুমি আজকে আসলে আমাদের বাসায় বড় একটা তালা ছাড়া কিছুই দেখতে পারবা না ...
পরক্ষনেই শুনি আন্টি বলতেসে -- ঐ পিচ্চি জলদি রেডি হও, খালার বাসায় যেতে হবে না ?
আমি কইলাম >> কিরে পিচ্চি তুমি এখনো ঘরে ?
সে কইলো --- আমার শরীর এখানে কিন্তু মন তো চলে গেছে খালার বাড়ী , বুঝছো ? ঐদিক দিয়ে আমি তো খালার বাড়ী পৌছে গেছি তাই না ?
আমি কইলাম >> আর কি কমু :| পরে আসুমনে তাইলে :(


কৈ যাই চিন্তা করতে করতে আবার দেখি বড় বিলাই আপি ফোন দিসে , কইলো --- কিরে অন্তু কৈ তুই ?
আমি বললাম >>> এইতো তোমার বাসায় আসতেছি, আধ ঘন্টার মধ্যে পৌছাবো...
ঠিকই আধ ঘন্টার মধ্যে ওর বাসায় পৌছে দেখি পুরা টেবিল রেডি করে টারজান ভাইয়া আর বিলাইপু অপেক্ষা করছে আমার জন্য , এক নজর টেবিলে চোখ বুলাতেই দেখি মজার মজার সব রান্না ... পোলাও, মুরগীর কোর্মা, কাবাব, গরুর রেজালা আরো কত কি ...আর দেরি না করে ঝটপট বসে পড়ে খাবারের সৎকার শুরু করে দিলাম ...
বিলাইপু বললো --- জানিস এত কিছু সব আম্মা আট আমার বোনেরা বানাইসে
আমি আসকাইলাম >> তুমি কোনটা রান্না করসো সেইটা বলো
আপি কইলো --- আমার কোন দোষ নাই, তোর ভাইয়া আমারে রান্না করতেই দেয় নাই
সাথে সাথে টারজান ভাইয়া বললো -->> আমার দোষ দিলা ? আসল কাহিনীটা কইলা না ?
আমি আসকাইলাম >>> কিরে আপি, আসল কাহিনী কি ?
আপি কইলো --- তোর ভাইয়া আমার বাসায় গিয়ে লবনের সরবত খাওয়ার কাহিনী পড়েছিল , এ জন্য আমারে এই ঈদে সে আর কোন রিস্ক নিতে দেয়নি ... আর ... মানে আসলে .... বাজারে নাকি লবনের দাম কমে গেছে, আর .... উমমম....
আমি কইলাম -- বুঝছি বুঝছি , বাকী কাহিনী আমি জানি ...


বিলাইপুর বাড়ী থেকে মোটামুটি খানাপিনা করে বের হতেই দেখি ফোন বাজছে , স্ক্রীনে দেখি চানাচুর আপি ফোন দিসে , রিসিভ করতেই বললো --- ভাইয়া কৈ ?
আমি কইলাম -- অন দ্যা ওয়ে আপি, ঘন্টা খানেকের মধ্যে আসতেছি ...
এবার সে শুরু করে দিলো শহরের কোন কোন যায়গাতে এটিএম ম্যাশিন আছে সেইগুলোর লিষ্ট ....একটানা মিনিট দশেক লিষ্ট শুনে কইলাম , কাহানী কিরে ? আসমু তোমার বাড়ী দাওয়াত খেতে এটিম ম্যাশিন দিয়ে কি করবো ?
এইবার পিচ্চি আপি কয় >>> যদি আমার সালামী না নিয়ে আসো তো ঘরেই ঢুকতে দিমু না কইলাম ...
আধা-ঘন্টা খানিক ঘুরাঘুরি করে কোন ম্যাশিন না পেয়ে ভাবতেছি ওর বাসায় আর যার কি যাব না , না গেলে ও খুব মন খারাপ করবে আর ঠিকমত সেলামী না নিয়ে গেলে আমার খবর আছে ... ভাবতে ভাবতেই দেখি বিডি ফোন করসে ...

কইলাম >>> হ্যালো বিডি
বিডি কইলো --- আবার হ্যালো ? বার বার শিখাতে হয় কেন বেকুব কাহিকা যে, ঈদের দিন ঈদ মোবারক বলতে হয় ? ... বল ঈদ মোবারক, এখন বল তো, তোর ঈদি কি তুই নিবি নাকি আমিই তোরটাও নিয়া নিমু ?
আমি >>> আমার ঈদিতে হাত লাগায়ে দেখ, আজকে কেয়ামত হয়ে যাবে কিন্তু
বিডি --- কেয়ামত হইলে তো টেবিলটা ভেঙ্গে যাবে না ? তাইলে সারা সকাল যে কষ্ট করে রান্না করলাম সেগুলোর কি হবে ?
আমি >>> তোর রান্না তাইলে শেষ হলো ? আমি ভাবসিলাম ২ সপ্তাহের আগে শেষ হবে না
বিডি --- তোর মত একটা উট আসবে খেতে তো দুই সপ্তাহের খাবার ই তো রাধতে হইসে,নাইলে হাড়ি খালি করে ফেলবি না ? এইবার আয় ব্যাটা দেখি কত হাড়ি খালি করতে পারিস ....
আমি >>> আমি উট ?
বিডি --- নাতো কি রাক্ষসের বাচ্চা খোক্কশ ? গত ঈদে কার জন্য যানি আমাকে দুইদফা রান্না করাইসিল, কে ? ... যাউগ্গা, এখন বল তুই ফোন রেখে বাসায় ঢুকলি নাকি আমি তোর সেলামী দিয়ে রিচার্জ করুম ?
আমি >>> তবে রে, আধ ধন্টার মধ্যে আমি আসতেসি, এর পরে তোরে দেইখা নিমু নে ...
বিডি --- আধ ঘন্টায় খাবার ঠান্ডা হয়ে যাবে, আমি কইলাম আবার গরম কইরা দিতে পারুম না ,এখন তুই চিন্তা কর, তুই তোর গাড়ীর তেল বাঁচাবী নাকি এক্সট্রা চিঈঈঈঈঈইজ পিজ্জা ?
আমি >>> কি ? এক্সট্রা চিজ পিজ্জা ? আধ ঘন্টা কি বলিস ১০ মিনিটের মধ্যে আসতেসি আমি, তুই খালি ঐটারে ঠান্ডা হতে দিস না কইলাম ....

অতঃপর অন্তু গুনগুন করে গাইতে গাইতে চললো --- আই ডোন্ট ড্রাইভ ফাস্ট বাট লাভ টু ফ্লাই লো ....




(যারা এইবার বেঁচে গিয়েছে তাদের কইলাম চিন্তার কারন আছে, কারন ওদের সবার বাড়ীতেই অন্তু খুব শিগগিরী দাওয়াত খেতে যাবে ;) )
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
৩৬টি মন্তব্য ৩৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×